টানা চতুর্থ হার কোহলিদের, প্রথম জয় রাজস্থানের

বল হাতে কোহলি-ডি ভিলিয়ার্সদের থামালেন শ্রেয়াস গোপাল, ব্যাট হাতে যাদব-সিরাজদের শাসন করলেন জশ বাটলার। এ দুইয়ের যুগলবন্দীতে চতুর্থ ম্যাচে এসে চলতি আসরে নিজেদের প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে রাজস্থান রয়্যালস।

দুই দলই নেমেছিল নিজেদের প্রথম জয়ের লক্ষ্যে। কিন্তু কোহলি-ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে পরাজয়ের বৃত্ত ভাঙতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। তাদের করা ১৫৮ রানের সংগ্রহ ৪ উইকেট হারিয়েই পেরিয়ে যায় রাজস্থান।

রান তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৭.৪ ওভারে ৬০ রান যোগ করেন জশ বাটলার এবং আজিঙ্কা রাহানে। দ্বিতীয় উইকেটে স্টিভেন স্মিথকে নিয়ে ৪৪ রানের জুটি গড়েন ৪৩ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলা বাটলার। ৮ চারের সঙ্গে ১ ছয়ের মারে নিজের ইনিংস সাজান তিনি।

তৃতীয় উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়ে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন স্মিথ এবং রাহুল ত্রিপাথি। সাবেক অসি অধিনায়ক ৩১ বলে ৩৮ রান করে সাজঘরে ফিরলেও দলকে জয়ের বন্দরে নিয়েই মাঠ ছাড়েন ২৩ বলে ৩৪ রান করা ত্রিপাথি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থানের সামনে ১৫৯ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় কোহলির দল। এবারও সেই স্রেয়াশ গোপাল। বার বার যার হাতে উইকেট দিয়ে ফিরে যেতে হয় কোহলিকে।

এই লেগব্রেক বোলারের হাতে আজও উইকেট হারাতে হয়েছে ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ককে। রীতিমতো বোল্ড হয়ে ফিরেছেন তিনি। নামের পাশে যোগ করেছেন কেবল ২৫ বলে ২৩ রান।

গোপালকে স্বচ্ছন্দে খেলতে পারেননি আরেক বিশ্বসেরা বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্সও। তিনিও আজ পারলেন না গোপালকে সামলাতে। ৯ বলে ১৩ রান করে সেই গোপালের হাতেই রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ফিরেছে এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান।

ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে কেবল লড়াই করতে পেরেছেন পার্থিব প্যাটেল। ৪১ বলে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন তিনি। শিমরন হেটমায়ার গোপালের বলেই আউট হলেন মাত্র ১ রান করে।

শেষ দিকে মার্কাস স্টোইনিজ ২৮ বলে ৩১ রানে এবং মঈন আলি ৯ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। গোপাল ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ ১২ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাঙ্গালুরু স্কোরবোর্ডে তুলতে সক্ষম হয় ১৫৮ রান।

Leave a Reply