কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ হোসাইন এর জীবন বৃত্তান্ত

কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ হোসাইন এর জীবন বৃত্তান্ত –
মোহাম্মদ হোসাইনের পিতা আব্দুল বাতেন প্রধান। মাতা- শহিদা বেগম।
দুই ভাই এক বোনের মধ্যে হোসাইন তৃতীয়। বাবা আব্দুল বাতেন এক সময় সৌদি আরবে ছিলেন। ছেলে মেয়ের পড়াশোনার জন্য দেশে চলে আসেন এবং নিজ বাড়িতেই কনফেকশনারী দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। পাশাপাশি সমাজের প্রধান হিসেবে সমাজের ভালো মন্দ দেখাশোনা করেন এবং বিচার আচার করেন। কারন তারা হলো প্রধান বংশের। রাজনৈতিক ভাবে কোন পদ না থাকলেও তিনি আওয়ামীলীগের রাজনীতি পছন্দ করেন কারণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন সোনারগাঁয়ে আসেন তখন তাদের মল্লিকপাড়া গ্রামে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। তখন সামনাসামনি বঙ্গবন্ধুকে দেখে মনে প্রাণে ভালবেসেছেন। । তখন থেকেই আওয়ামীলীগের নিবেদিত প্রাণ। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী মৃত্যুবার্ষিকীতে মসজিদে দোয়া পরান। হোসাইন এর ভাই অগ্রণী ব্যাংকে কর্মরত। তিনিও রাজনীতির সাথে জড়িত নন কিন্তু আওয়ামীলীগ সরকার কে দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে ভালোবাসেন। হোসাইন এর বাবারা চার ভাই সবাই ব্যবসায়ী এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে সমর্থন করে মনে প্রাণে। হোসাইন এর চাচাতো দাদা তোতা মিয়া, চাচাতো কাকা অলি মিয়া আওয়ামীলীগ সমর্থিত মেম্বার ছিলো। ফুফাতো ভাই সিরাজ মিয়া পৌরসভা যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন। স্কুল জীবন থেকেই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ থাকার কারণে মোগড়াপাড়া এইচ জি জি এস স্মৃতি বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণিতে সাধারণ বৃত্তি লাভ করেন। এস. এস. সি এবং এইচ. এস. তে জিপি ৫.০০ পেয়ে ২০০৯-২০১০ সেশনে ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে B. Sc in Footwear Engineering এ ভর্তি হোন। স্কুল কলেজের লোকায়িত প্রতিভা ছাত্র রাজনীতি বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে বেগবান হয়। লেদার ইনস্টিটিউট ক্যাম্পাস জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে প্রকম্পিত হয় তার কন্ঠে। স্লোগান মাস্টার হিসেবে পরিচিত লাভ করে হোসাইন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা, রাজুভাস্কর্জ মধুরক‌্যান্টিন স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন। লেদার ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে লেদারের বিশাল একটা গ্রুপ নেতৃত্ব দেন। সভাপতি ক্যানন্ডিডেট হিসেবে দায়িত্ব না পাওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের মেহেদী-শরীফ কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত করেন।২০১৩ এবং ২০১৪ সালে বিএনপি জামাত শিবিরের জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯ তম সম্মেলনে সাইফুর রহমান সোহাগ এবং এস এম জাকির হোসেনের কমিটিতে উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতা হবার পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংগঠনিক দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করেন।সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ছাত্রলীগকে শক্তিশালী করেন। ২০১৬-২০১৭ সেশনে টেলিভিশন ফিল্ম এন্ড ফটোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টে মাস্টার্স করার জন্য ভর্তি হোন এবং বর্তমানে চতুর্থ(লাস্ট) সেমিস্টারে আছেন। নাসিরনগর উপ-নির্বাচন, ঢাকা সিটি নির্বাচন, নারায়ণগন্জ সিটি নির্বাচন, কুমিল্লা সিটি নির্বাচন, গাজিপুর সিটি নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।রোহিঙ্গাদের সহায়তা করার জন্য কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান সাহায্য করার জন্য। সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগন্জ-৩ আসনের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেন। ডাকসু নির্বাচনে পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০ তম সম্মেলনে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানী কমিটিতে গনযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক উপ-সম্পাদক নির্বাচিত হন। নেতা হবার পর থেকেই এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply