মো. আলম হোসেন, রূপগঞ্জ
বিশিষ্ট কলামিস্ট সাংবাদিক মীর আব্দুল আলীম
ঢাকার অদূরে, রূপগঞ্জের রূপসী মীরবাড়ির ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বহু প্রজন্মের সুনাম, শিক্ষা, কর্মপ্রতিভা এবং মানবিক মূল্যবোধের যে আলো, সেই আলোর ধারাবাহিকতা তিনি আজও বহন করে চলেছেন এক অনাড়ম্বর অথচ দৃপ্ত উপস্থিতিতে। তার বাবা মীর তাজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন একজন খ্যাতিমান কৃষিবিদ এবং ‘তাজউদ্দিন টেক্সটাইল’এর প্রতিষ্ঠাতা।
তার চাচা মীর রমিজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ঠিকাদার সমিতির সম্মানিত প্রেসিডেন্ট; জাতীয় স্টেডিয়ামসহ দেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও স্থাপনা নির্মাণে যিনি যুগান্তকারী অবদান রেখে গেছেন।
তার দাদা মীর সুবিদ আলী ছিলেন একজন বিখ্যাত পাট ব্যবসায়ী। নৈতিকতা, বাণিজ্যদক্ষতা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অন্যদিকে তার নানা আলহাজ্ব এখলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া ছিলেন ‘দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান এখলাস গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ’এর প্রতিষ্ঠাতা। দেশের শিল্পোন্নয়নে তিন যুগ ধরে অবদান রেখে যাওয়া একটি কিংবদন্তি নাম। সেই প্রতিষ্ঠানের ২৮ বছর ধরে নির্বাহী পরিচালক মীর আব্দুল আলীম। পরবর্তীতে এই পরিবারেই বড় নাতনীর সঙ্গে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়। শুধু বংশগৌরব নয়। মীর আব্দুল আলিম এর বড় ছেলে ডা: তানজিল এহসান যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (NHS) এর আওতাধীন লন্ডনের স্বনামধন্য কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক, তার স্ত্রী আফুন্না মুনাও একই হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন। ছোট ছেলে হাসান ইনতিশার কম্পিউটার সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।
মীর আব্দুল আলীম নিজেও এক উজ্জ্বল চরিত্র, এক নীরব আলোকবর্তিকা।মানবিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান আল রাফি হাসপাতালের চেয়ারম্যানের দায়িত্বসহ রক্তযোদ্ধা, মানবিক সংগঠন করার কারিগর তিনি।
এজন্য তিনি দেশ বিদেশে অসংখ্য পদক পেয়েছেন।
মানবিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও কলমের শক্তিতে তিনি দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিকপর্যায়ে সম্মান অর্জন করেছেন। বাংলাদেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক থেকে শুরু করে বিদেশের বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকাতেও তার ছবিসহ নিয়মিত স্থান পেয়েছে তার লেখা। তিনি কখনো রাজনীতির লালসায় নিজেকে জড়াননি। যা দেখেছেন, তাই লিখেছেন; সত্যের পাশে অটল থেকেছেন।
তার কর্মময় জীবনে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, বহু তরুণ শিল্পের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পেয়েছে। অথচ এমন একজন মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার যে অভিযোগে তাকে “গার্মেন্টস শ্রমিক” অশিক্ষিত, বানানোর অপচেষ্টা এটাই প্রমাণ করে সাফল্যের আলো যত উজ্জ্বল হয়, অন্ধকার তত গভীর হতে চায়।তিনি এসএসসি, এসএসসি স্টারমার্কসহ প্রথম শ্রেণি, পরবর্তী প্রতিটি পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করেন। দীর্ঘদিনের তার লিখনি এবং দেশ-বিদেশের পত্রিকা গুলোতে তার লেখা প্রমাণ করে তিনি কতটা মেধাবী। দেশ-বিদেশ থেকে ২৭ টি একক বইসহ ৫০ টি যৌথবই রয়েছে। সত্য কখনো পরাজিত হয় না। মীর আব্দুল আলিমকে অসত্য দিয়ে মাথা নত করার চেষ্টা করে বারবার পরাজিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি মাথা নত করেননি। তাঁর কথা জন্মেছি মৃত্যু হবেই।
দীর্ঘদিন তিনি রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে মানুষের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। সময় দিতে না পারাসহ, ব্যক্তিগত কারণে তিনি নিজ থেকে পদ ছাড়লেও সাংবাদিক সমাজের ভালোবাসা, সম্মান ও টান তাকে আজও ঘিরে রাখে। রূপগঞ্জের মানুষ জানে মীর আব্দুল আলীম তাদেরই একজন, তাদের কল্যাণে নিবেদিত একজন নীরব যোদ্ধা।
একজন জাতীয় পরিচয়ের সাংবাদিক, প্রতিষ্ঠিত নির্বাহী, মানবিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে অপপ্রচার রূপগঞ্জসহ দেশের মানুষ কখনোই গ্রহণ করবে না। অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে।
নীরবে কাজ করেন, নীরবে এগিয়ে যান, কিন্তু হৃদয়ে জায়গা করে নেন। মীর আব্দুল আলীম তেমনই একজন মানুষ, যার জীবন মানে দায়িত্ব, যার পরিচয় কাজ,
আর যার শক্তি সত্য ও মানবিকতা।

































Discussion about this post