যশোর প্রতিনিধি:
যশোরে যৌথ অভিযানে ভৈরব নদীর দখলমুক্ত কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নদীর দখলমুক্ত অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় নদীর সীমানায় থাকা প্রায় ২০ থেকে ২৫ টি দোকান ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান পাউবো যশোর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি।
অভিযান পরিচালনায় ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ছিলেন, যশোর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন। অভিযান পরিচালনায় পুলিশ প্রশাসন সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র দড়াটানা। এখানে ভৈরব নদের ওপর রয়েছে দড়াটানা সেতু।
২৭৯ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯২ কিলোমিটার নদ পুনঃখনন প্রবাহ ফেরেনি ভৈরবের।
দখল-দূষণ কারণে মৃতপ্রায় ভৈরব কোনো রকমে বয়ে চলেছে। পাশাপাশি এ নদী ব্যাপকভাবে দূষণের শিকার। দূষণে নদীর পানি ও নদীনির্ভর প্রাণবৈচিত্র নষ্ট হচ্ছে। দখল ও দূষণে ভৈরব নদী মৃতপ্রায়।
নদের তীরে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনার মেডিকেল বর্জ্য ও ভবনের শৌচাগারের মানববর্জ্য সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে ভৈরব নদে ফেলা হয়। এতে নদের পানি কালো কুচকুচে হয়ে পড়েছে। পানিও দুর্গন্ধযুক্ত।
পাউবো যশোর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি বলেন, ভৈরব নদের দখলমুক্ত কাজ শুরু করছি। এ দখলমুক্ত করেই আমাদের কাজ শেষ নয় আমরা কয়েক দিনের ভিতরেই কাঁটাতার দিয়ে নদীর জায়গা ঘিরে দেওয়া হবে। যাতে পরবর্তীতে এভাবে দখল না করতে পারে। এখানে প্রদর্শন করার জন্য ফুল বাগান করতে পারি। এর আগে দেখছি উচ্ছেদ করার পর পরই দখলদাররা আবারও দখল করে স্থাপনা তৈরি করে। এজন্য আমাদের ভৈরব নদীর দুইপাশ দখলমুক্ত করার জন্য অভিযান চলমান থাকবে। আমরা অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে অনেক বিষয় আমাদের চোখে পড়ে না। কিন্তু এ বিষয়গুলো মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা দেখতে পারি।

































Discussion about this post