সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে পহেলা বৈশাখে শুরু হওয়া পক্ষাকালব্যাপী বৈশাখী মেলা ও প্রতিষ্ঠানের সুর্বণজয়ন্তী উৎসব শেষ হয়েছে।
সোমবার বিকেলে ফাউন্ডেশনের লোকজমঞ্চে সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান।
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের সভাপতি চন্দ্র শেখর সাহা ও কবি মিহির মুসাকিন।
সমাপনী দিনে উৎসবে অংশ নেয়া কারুশিল্পীদের ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। পরে লোকজ মঞ্চে লোক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মেলা শেষ হয়।
১৫ দিনব্যাপী এই বৈশাখী মেলা ও জাদুঘরের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের বৈচিত্র্যময় কারুপণ্যের সমাহার রাখা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কারুশিল্পীদের এখানে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। উৎসবে জামদানি, শতরঞ্জি, নকশি কাঁথা, মৃৎশিল্প, দারুশিল্প, হাতপাখা, কাঠখোদাইশিল্প, পটচিত্র শিল্প, শোলাশিল্প, বাঁশ-বেতশিল্প এবং ক্ষুদ্র-নৃ গাষ্ঠীর কারুশিল্পীদের সৃষ্টিশীল কর্মের উপস্থাপন এবং বিপণনের সুব্যবস্থা ছিল। এছাড়াও উৎসব চলাকালীন প্রতিদিনই ছিল বাউল গান ও লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এছাড়া মেলায় পুতুল নাচ, হালখাতা, বায়স্কোপ, সাপের খেলা, নাগরদোলাসহ গ্রামীণ বিনোদনের নানা আয়োজন ছিল। হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ খেলা তিন গুটি, সাত গুটি বাঘবন্দ, কানামাছি, গোল্লাছুট, বউচি ও কপাল টোক্কা। ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবার ও পিঠাপুলির আয়োজনও ছিল এ উৎসবে।
























