আমিনুর রহমান, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ-র বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে গোপন বৈঠকের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ওই উপজেলার সির্ন্দুনা এলাকায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন তাজু-র বাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠক নয়, একটি দাওয়াতের অনুষ্ঠান ছিলো বলে স্বীকার করেছেন আমজাদ হোসেন তাজু-র পরিবার ও এক পুলিশ কর্মকর্তা।
জানা যায় , লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে ২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ডামি প্রার্থী ছিলেন আমজাদ হোসেন তাজু। তিনি একাধিক মামলার আসামী ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগ উঠেছে, বৃহস্পতিবার রাতে তার বাসায় দাওয়াতের নামে এক গোপন বৈঠক বসে আওয়ামীলীগ নেতাদের। ওই বৈঠকে উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্তত ৬ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে যোগ দেয় হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। বৈঠক শেষ আওয়ামীলীগ নেতাদের দাওয়াত অনুষ্ঠানেও ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। বিষয়টি জানাজানি হলে লোকজন জড়ো হতে থাকে ফলে দ্রুত ওই বাসা ত্যাগ করেন ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। অপর একটি সুত্র জানান, ওই বৈঠকে হাতীবান্ধার বাসিন্দা জেলার বাহিরে কর্মরত প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি নিয়ে হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে আমজাদ হোসেন তাজু-র স্ত্রী শাপলা আক্তারের দাবী, বৈঠক নয়, বাসায় একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান ছিল। সেই দাওয়াতে ওসি এসেছিলেন।
লালমনিরহাট সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) জয়ন্ত কুমান সেন জানান, ওই বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন পুলিশের একজন উচ্চত কর্মকর্তা। সেই কর্মকর্তার সাথে দেখা করতে গিয়ে ছিলেন ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।
























