নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জামপুরে আবারও ডাকাতির ঘটনা ঘটে। জামপুর ইউনিয়ন জাতীয় পাটির সভাপতি ও জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ভুঁইয়া মাকসুদের বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। বুধবার রাত ৩ টায় জামপুর ইউনিয়নে পাকুন্ডা এলাকায় তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।ডাকাতদল বাড়ির সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে একই ইউনিয়নের মহজমপুর এলাকায় ব্যবসায়ীর ৪ ফ্ল্যাটে ডাকাতি হয়। ওই সময়ে ডাকাতরা ব্যবসায়ী ও শিক্ষক পরিবারের হাত পা, মুখ বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিন্মি করে নগদ ৪ লাখ টাকা, মোবাইল সেট ও স্বর্ণ লংকারসহ ১৬ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। গত ১ সপ্তাহে একই ইউনিয়নের ২টি ডাকাতির ঘটনায় এলাকায় আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।
এলাকাবাসী বলছে, তালতলা এলাকায় পুলিশের তদন্ত কেন্দ্র থাকা সত্বেও পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক, পুলিশ কোন ডাকাতকে গ্রেফতার করতে পারছে না।
জাতীয় পার্টির নেতা আশরাফুল ভুঁইয়া মাকসুদ জানায়, আমি ও আমার পরিবার ঢাকায় বসবাস করি। গ্রামের বাড়িতে আমার মা-বাবা থাকেন। সে সুযোগে বুধবার রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে পাকুন্ডা এলাকায় ডাকাতদল আমার নিজ বাড়িতে জানালার গ্রীল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা আলমারির তালা ভেঙ্গে নগদ ১৫ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণ ডাকাতি করে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে তালতলা পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রের এস আই মোশারফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
তালতলা পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস এম ইকবাল হোসেন জানান, ডাকাতির ঘটনার খবর পেয়ে ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতার সাথে এলাকার কিছুর লোকের পরস্পর রাজনৈতিক ও সামাজিক শত্রুতার রয়েছে। তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শুনেছি। এ মুলত ডাকাতির ঘটনা না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এলাকায় পুলিশী তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে জামপুর ইউনিয়নের মহজমপুর এলাকায় মাল্টিপারপাস ব্যবসায়ী মো: কামালের বিল্ডিংয়ে গত বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে একদল মুখোশধারী ডাকাত হানা দেয়। ডাকাতরা বিল্ডিংয়ের কলপসপল গেইট ও দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে। পরে বিল্ডিংয়ের মালিক ব্যবসায়ী মো: কামাল, শাহিন, ভাড়াটিয়া মহজমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো: রফিক. কামাল উদ্দিনের ফ্লাটের সবাইকে হাত পা ও মুখ বেঁধে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এসময় ডাকাতদল কাউকে মারধর না করে পর্যায়ক্রমে সকল ফ্লাটের আলমারী ভেঙ্গে আসবাবপত্র তছনছ করে নগদ ৪ লাখ টাকা, প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ১৫টি মোবাইল সেট লুট করে নিয়ে যায়।

































Discussion about this post