মো. সায়েম উদ্দিন মুসা, গোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকা রাখায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ছয় কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে স্থায়ীভাবে, আর তিনজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে এ বরখাস্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
দীর্ঘদিন কর্ম ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে স্থায়ী বরখাস্ত হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি রেজিস্টার (স্টোর) মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মিকাইল ইসলাম ও জেষ্ঠ্য চিকিৎসক কর্মকর্তা অভিষেক বিশ্বাস। ওই অফিসে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে অনুপস্থিত থাকায় ওই তিন কর্মকর্তাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুইবার করণ দর্শানো নোটিশ দেন। কিন্তু তারা কারণ দর্শানোর নোটিশের কোন জবাব না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা মোতাবেক তাদের পলাতক বলে গণ্য করা হয়, ওই আইন অনুযায়ী বিষয়টি শাস্তিযোগ্য হওয়ায়, শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ এবং রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী স্থায়ীভাবে চাকুরি হতে বরখাস্ত করা হল।
সাময়িক বরখাস্ত করা অপর তিন কর্মকর্তা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্টার ফারজানা ইসলাম (শাহবাগ থানায় একাধিক মামলা আছে), নজরুল ইসলাম ও উপ-পরিচালক (পউও) তুহিন মাহামুদ। এর মধ্যে নজরুল ইসলাম ও ফারজানা ইসলাম দুজনেই ফৌজদারী মামলার ও তুহিন মাহমুদ বিভাগীয় মামলার আসামি এবং বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করে বহিষ্কৃত কর্মকর্তারা। ২৪ এর ৩রা আগস্ট এক মিছিলে তারা আন্দোলনবিরোধী নানা স্লোগান দেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের চামড়া তুলে নেওয়া সহ বিএনপি, জামাত এর বিপক্ষে হুশিয়ারীসূলক বক্তব্য প্রদান করেন তারা। পরে আওয়ামী লীগের পতন হলে তারা পলায়ন করে।

































Discussion about this post