মনিরুজ্জামান মনির :
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে যশোরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মুন্সি মেহেরুল্লাহ ময়দান (টাউন হল মাঠ) মহান বিজয় দিবস পালিত হয়।
বিজয় দিবস উপলক্ষে বক্তব্যের বিষয় ছিলো ‘জাতির পিতা স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধেও চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার’। অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পল্লী উন্নায়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্রাচার্য্য এমপি।
তিনি বলেন, সম্পদের সুষমও বন্টনের মাধ্যমে একটি সমতা ভিত্তিক সমাজ গঠন করায় বঙ্গবন্ধুর লক্ষ ছিলো। সেই লক্ষ নিয়ে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে ছিলেন। এদেশে খনিজ ও বুজরয়ার্স শ্রেণীর সম্পাদের সিলিং দিয়ে ছিলেন। কৃষকদের জমির পরিমাণ ২৫ বিঘার নিচেয় থাকলে খাজনা দিতে হবে না । ব্যাংক ও বিমাকে জাতীয় করণ করে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে এসব অর্জনকে ধংস করার চেষ্টা করা হয়েছিলো। এ ধংসের চেষ্টা করেছিলো যারা মুক্তিযোদ্ধাকে চাইনি, যারা মুক্তিযোদ্ধাকে বিরোধিতা করেছিলো। এদেশের সব থেকে যারা সুবিধা বাদি পাকিস্তানি দলেরা আর আন্তর্জাতিক মরোব্বি মার্কিন সম্ম্রাজ্যবাদ সহ পশ্চিমা দেশগুলো সব সময় স্বাধীনাতার বিরোধিতা করেছে। আজ আমাদের দেশ এসরকারের আমলে উন্নায়নের রোল মডেল তৈরি করেছে। তার প্রমাণ ৭২ সালে পাকিস্তানের মাথাপিঁছু আয় ছিলো বাংলাদেশের থেকে দ্বিগুণ, আজ ২০২২ সালে ৫০ বছর পরে এসে পাকিস্তানের মাথাপিঁছু আয় থেকে বাংলাদেশ এখন দ্বিগুণ হয়েছে।
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, যশোর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির, যশোর পৌরসভা মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গনি খান পলাশ, যশোর ইনস্টিটিউট সাধারণ সম্পাদক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু এবং যশোর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিদের হাতে সনদ এবং পুরুস্কার তুলেদেন প্রধান অতিথি। চিত্রাঙ্কনে বিজয়ীরা হলো ক-বিভাগে আলিয়া তাবাসসুম, জুনাইরা আকতার, লাবিবা জামান লিবা, খ-বিভাগে নিশাত নওরোজ পাতা, সারদা সাহা স্নেহা, আনুশে আরাবী সকাল, গ-বিভাগে শেখ সামিয়া ইমরানা দিশা, স্বস্তিকা সাহা দিঠি, আহনাফ তাজওয়ার ফাগুন, ঘ-বিভাগ ইসরাত জাহান প্রিয়া, তাইফ হাসান, রাফসান মাহমুদ। আবৃতি করে বিজয়ী হয়েছে, ক-বিভাগে রুকাইয়া তাসনিম, ফহাজ এলাহি, অর্ঘ্য অনুরাগ, খ-বিভাগ নুসরাত জাহান নাঈমা, সোনাম সানজানা, আনুশেহ আরাবী সকাল, গ-বিভাগ সৌভিক দাস, তূর্জয় ঘটক, শেখ সামিয়া ইমরানা দিশা। সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে ক-বিভাগে অরুন্ধতী মন্ডল, সৈয়দা ওয়াহিবা নাযাহ, অথৈ ঘোষ, ক-বিভাগ অর্ণিভ চন্দন, ঐশ্বর্য্য তরফদার, শ্রীময়ী দত্ত, গ-বিভাগ ঝংকার মজুমদার, কৃষ্ঞা দেব ভক্ত, মেধা সাহা।
রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে ক-বিভাগে উর্বশী তাসনিম রুপন্তদী, লাবিবা জামান লিবা, খ-বিভাগ রাফসান তাহিররাজী, তমাল পোদ্দার, মাসুম আবরার, গ-বিভাগ তায়িবা তাবাস্সুম, প্রাপ্তি পাল, অথৈ মিত্র এবং ৮টি স্টলকে সার্টিফিকেট প্রদান করেছেন এগুলো হলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, সপ্তাহে একটি বই পড়ি, যশোর ইনস্টিটিউট, মাওলা ব্রাদার্স, আগামী প্রকাশনা, লাবনী, আফসার ব্রাদার্স।
























