মোঃজুয়েল রানাঃ
মোহনপুরে রায়ঘাটি ইউনিয়নের হিন্না বিলের টেংরা নামক স্থানে মৎস চাষীদের দন্দে মাঝে চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানকে নিয়ে অযুক্তিক কথা বলার অভিযোগে প্রতিবাদ সভা করা হয়েছে। মোহনপুরের মধ্যে সবচেয়ে উন্নয়ন মূলক চেয়ারম্যানেরর নামে মিথ্যা কথা বলায় তিব্র নিন্দা জানিয়ে মঙ্গলবার বিকালে রতনডাঙ্গা গ্রামে আওয়ামী লীগের নেতাগণরাসহ অত্র এলাকাবাসিরা একত্রিত হয়ে এ প্রতিবাদ সভা করেন।
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন, রায়ঘাটি ইয়নিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওসমান গনি, ইউপি সদস্য (মেম্বার) ছলিম উদ্দিন, ৫ নং জেকের আলী, আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম, মাহফিল, মুনারুল ইসলামসহ দুইশতাধিক এলাকার জনগনবাসি।
তারা বলেন, রতনডাঙ্গা গ্রামের অধিকাংশ মানুষ খুবই গরিব তাদের আয় ব্যয়ের পর গ্রামের মসজিদের জন্য দান করার কোন সামর্থ্য থাকেনা। এলাকায় অবস্থিত বাধেঁর স্লুইচ গেইটের মুখে স্রোতের কারনে মাছ শিকার করে যে অর্থ আয় হয় তা থেকে মসজিদের উন্নয়ন করা হয় । বিগতদিনে মৎসচাষী আয়েন উদ্দিনকে জায়গাটিতে মৎস শিকার করার সুযোগ দিয়ে মসজিদে কিছু অনুদানের কথা বলা হয়। সকলের স্বীদ্ধান্ত ক্রমে সত্য মোতাবেক প্রথমবার টাকা প্রদান করলেও পরে সে আর মসজিদে টাকা দেইনা। তাই এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তাকে বিতারিত করে অপর মৎসচাষী বেলার উদ্দিনকে সুবিধা করে দিতে বাধ্য হয় এলাকাবাসি। বর্তমানে একটি কুচক্রীমহলের অসৎ চিন্তা ধারায় মৎসচাষী আয়েন উদ্দিনকে ব্যবহার করে ইউপি চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের নামে মিথ্যা কথা বলে থাকে। কিন্তু আমাদের চেয়ারম্যান উন্নয়নে বিশ্বাসী সে কখনো কারো সাথে কোন অনিয়ম করেন না। সবর্দা সকল বিচ্ছিন্ন ঘটনা সুষ্ঠ ভাবে নিরাশন করে থাকেন আমাদের চেয়্যারমান।
তারা আরো বলেন, চেয়্যারমান খলিলুর রহমান রায়ঘাটিতে যে পরিমান উন্নয়ন করেছেন। তার উন্নয়নের ফলে আগামী নির্বাচনে আবারও বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন।তার একটায় কারণ ৩নং রায়ঘাটি ইউনিয়নে উন্নয়নের ছোয়ায় আলোকিত করেছেন চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান। তাই কিছু কুচক্রমহলরা তার সুনাম নষ্ঠ করার পাইতারা করে এখানে বিবাধ সৃষ্ঠি করেছে ও ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমাদের এখানে মাছ শিকারে মৎসচাষীরা যেমন দু-মোটো খাবার পাচ্ছে পাশাপাশি মসজিদ পরিচালনায় সুবিধাও হচ্ছে। এতে আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অটুক থাকতে চাই, তবে চেয়ারম্যানের মতো ভালো মানুষের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলুক এটাও চাইনা। সেক্ষেত্রে মৎস শিকার বন্ধ করে দিতেও রাজি।
পরে চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান জানান, আগামীতে আমার নির্বাচনী এলাকায় আমার বিরুদ্ধে মানুষদের মনে বিষাধ সৃষ্টি করতে কিছু কুচক্রীমহল উঠে পড়ে লেগেছে। তারা বুঝে গেছে আমার উন্নয়নে সাধারণ জনগনের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয় বিরাজ করছে। তাই তারা বিভিন্ন পথ অবলম্বন করছে, কিন্তু আমি আবারো বিপুল ভোটে চেয়্যারমান নির্বাচিত হব ইনশাআল্লাহ। আর ঘটনাস্থলে মৎসচাষী আয়েন উদ্দিনকে আমিই পরামর্শ দিয়ে সুযোগ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু তার অসৎ চিন্তায় এলাকাবাসি তাকে বিতারিত করে বেলাল উদ্দিনকে সুযোগ দিয়েছে। আমি দুর্নীতিবাজদের জায়গা দিইনা তারা রতনডাঙ্গা গ্রামের মৎসচাষী আয়েন উদ্দিনের মাধ্যমে চাঁদাবাজির সুযোগ খুঁজছে বলে আমি মনে করি।কিছু কুচক্রীমহল আমাকে ঈর্শা করে রতনডাঙ্গা গ্রামের মৎসচাষী আয়েন উদ্দিনকে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে যা তথ্য দিয়েছে তা সঠিক নই।
এ ব্যাপারে মৎসচাষী আয়েন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, এর সুষ্ঠ সমাধানের জন্যে উন্মুক্ত সংবাদ সম্মেলনের দাবি জানাই। উভয় পক্ষ একত্রে হলেই সঠিকটা আপনারা জানতে পারবেন। আমিও চেয়ারম্যান সাহেবের সব কথা মেনে নিবো।
























