পাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির মজুমদার। তিনি পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিরুপ মন্তব্য ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর সাথে অসদাচারণ করেন।
গত ১২ই জুন রবিবার সোস্যাল মিডিয়ায় এডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির মজুমদারের কলেজ বহিরাগত নিধন অভিযানের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিতে দেখা যায় তিনি পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মেয়ে শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পরিচয় দেওয়া ও আইডি কার্ড দেখানোর পরেও তিনি ওই ছাত্রীর বোরকার মুখোশ খুলতে বারবার ধমক দিতে থাকেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে “স্কুল” আখ্যায়িত করে বলেন,ওটা ইউনিভার্সিটি নয়,প্রযুক্তি স্কুল’।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ই জুন (মঙ্গলবার) বেলা ১.৩০ মিনিটের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ও বিভিন্ন সংগঠনগুলো।উপস্থিত শিক্ষার্থীরা এসময় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।এবং অধ্যক্ষ হুমায়ন কবির মজুমদারের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।এসময় শিক্ষার্থীরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচার দাবি করেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন,এডওয়ার্ড কলেজ পাবনার মধ্যে একটা পুরাতন শতবর্ষী কলেজ।এই কলেজ বহিরাগত নিধনের যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে আমরা অবশ্যই তাতে সাধুবাদ জানায়।আমরা চায় শুধু এডওয়ার্ড না, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হোক টোকাইমুক্ত,মাদকমুক্ত।কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে।আমরা এর তীব্র নিন্দা জানায়। এসময় তারা এই অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শেখ রাসেল বলেন,এই অধ্যক্ষ বহিরাগত নিধনের নামে শিক্ষার্থীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া এটা কখনো সমীচীন নয়।আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে এই বিরুপ মন্তব্যে একজন অধ্যক্ষের থেকে কখনোই আশা করা যায় না।এর জন্য ওনাকে ক্ষমা চাইতে হবে।
ইতিমধ্যে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির মজুমদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শতাধিক শিক্ষার্থী। সোমবার দুপুরে কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করা হয়। এরপর মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেন তাঁরা। কর্মসূচি থেকে অবিলম্বে অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করা হয়।
























