মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকঞ্জি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইনজীবীরা আবার সব আদালত বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে সাধারন সভা করে জেলা আইনজীবী সমিতি এ সিদ্ধান্ত নেন। পরে বিষয়টি সাংবাদিকদেরকে অবহিত করা হয়। বুধবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়ে ১৬ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত চলবে। সর্বশেষ গত ১ ফেব্রæয়ারি সাধারন সভা করে ৭ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদালত বর্জন কর্মস‚চি পালনের ঘোষণা দেন আইনজীবীরা।
জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও দায়রা জজ শারমিন নিগার ও নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল -১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ ফারুক এর অপসারণ এবং জেলা জজের নাজির মোমিনুল ইসলামের দৃষ্টান্তম‚লক বিচারের দাবিতে গত ৫ জানুয়ারি থেকে পর্যায়ক্রমে সব আদালত বর্জন করে আসছিল জেলা বারের আইনজীবীরা। এক পর্যায়ে জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদালত বর্জন অব্যাহত রেখে বাকি সব আদালতের কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন আইনজীবীরা। ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আইনজীবীদের দাবি প‚রণ না হওয়ায় তারা আবারো নতুন করে সব আদালত বর্জনের ঘোষনা দেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. তানবীর ভ‚ঞা জানান, দাবি পূরণ না হওয়ায় আবারো নতুন কর্মস‚চি ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারন সভায় উপস্থিত সকল আইজীবীদের মতামতের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ আইনজীবীরা মামলা দাখিল করতে গেলে বিচারক মোহাম্মদ ফারুক মামলা না নিয়ে আইনজীবীদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ করেন আইনজীবীরা। এ ঘটনায় ২৬ ডিসেম্বর সমিতির সভা করে আইনজীবীরা ১ জানুয়ারি থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ ফারুকের আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয়। এদিকে বিচারকের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে ৪ জানুয়ারি কর্মবিরতি পালন করেন আদালতের কর্মচারিরা। এ অবস্থায় জেলা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ ও আদালতের নাজির মোমিনুল ইসলামের অপসারণ চেয়ে ৫ জানুয়ারী থেকে পুরো আদালত বর্জনের লাগাতার কর্মস‚চি পালন করে আসছিলেন আইনজীবীরা। পরবর্তীতে পুরো আদলতের পরিবর্তে জেলা জজ ও নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যাল-১ আদালত বর্জন করে আসছে আইনজীবীরা। এছাড়াও বিচারকের সাথে অশোভন আচরণ ও অশালীন স্লোগান দেয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৪ আইনজীবীকে দু’দফায় তলব করেছে উচ্চ আদালত।
























