মো:সাব্বির খান, ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে ফুলপরী খাতুন নামের নবীন এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন ঘটনা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় জড়িত পাঁচজনের চূড়ান্ত ভাবে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবেনা তা জানতে সাত কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার (২৯ মার্চ) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ. এম. আলী হাসান স্বাক্ষরিত তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে কারণ দর্শানোর বা চূড়ান্ত ব্যবস্থা কেন গ্রহণ বিষয়ে জড়িতদের জবাব দেওয়ার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন মতে, আগামী মাসের বুধবার (০৫ এপ্রিল) পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধির করা হয়। এছাড়া পরবর্তীতে আর সময়সীমা বৃদ্ধি করা হবেনা বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
জানা যায়, গত ৪ মার্চ ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক বসে। সেখানে পাঁচ অভিযুক্তকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এসময় সাত কার্যদিবসের মধ্যে কেন তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না এ মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। প্রাথমিকভাবে গত ১৫ মার্চের মধ্যে অভিযুক্তদের জবাব দিতে বলা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মাধ্যে শুধুমাত্র ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের তাবাসসুম ইসলাম ও মোয়াবিয়া জাহান জবাব দেন।
অপরদিকে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা, আইন বিভাগের ইসরাত জাহান মিম ও চারুকলা বিভাগের হালিমা আক্তার উর্মি জবাব না দিয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করে। একইসঙ্গে তাঁরা আবেদনে কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদনের কপি চান।
আবেদনের পর তিন অভিযুক্তর আবেদনগুলো রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা হয়। নিয়ম অনুযায়ী ফাইল চলে যায় একাডেমি শাখার উপ-রেজিস্ট্রার আলীবদ্দীন খানের কাছে। তিনি দেখে ফাইলটি পাঠিয়ে দেন রেজিস্ট্রার দপ্তরে। রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে মতামতের জন্য ফাইল গত ১৪ মার্চ আইন প্রশাসকের দপ্তরে পাঠানো হয়।
এদিকে প্রশ্ন উঠে বিশ্ববিদ্যালয় ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বেখেয়ালিতে আটকে আছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর নজর দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তখন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ.এম আলী হাসান বলেন ফাইলটি এতোদিন আইন প্রশাসকের দপ্তরে আটকে আছে। তিনি তার মতামত দিবেন। পরে উপাচার্যর কার্যালয়ে আসলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান।



















