কাঁচপুরে গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু
সোনারগাঁ( নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে গ্যাসের গতি বৃদ্ধির কম্প্রেসার লাইন থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় আর কেউই বেঁচে রইলো না। এক এক করে সবাই পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। দগ্ধ হওয়ার চার দিন পর বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান স্বামী শরীফ হোসেন ও স্ত্রী রোজিনা আক্তার। এর আগে বুধবার রাতে মারা যান নিহত শরীফের শ্যালক রিয়াজ হোসেন । তাদের পর গতকাল শুক্রবার সকালে মারা যান দুর্ঘটনায় পতিত শাহ আলমের বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক রনি মিয়া।
নিহত শরীফ মিয়া ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ঘড়া এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে। রোজিনা আক্তার শরীফ মিয়ার স্ত্রী ও শ্যালক রিয়াজ কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার কালামপুর এলাকার বসু মিয়ার ছেলে ও রনি মিয়া কাঁচপুর এলাকার সৈয়দ আলী মুন্সির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাঁচপুর সোনাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ৬ তলায় ভবনের দ্বিতীয় তলায় গত শনিবার একটি কক্ষে রাত দেড়টার দিকে বিকট শব্দে বিষ্ফোরণ হয়। পরে তারা কান্নার শব্দ পেয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, গ্যাসের গতি বাড়ানোর কম্প্যেসার যন্ত্রের লাইন লিকেজ থেকে গ্যাস বের হয়ে ঘরে জমে আগুনের স্পর্শে বিষ্ফোরণ হয়। বিষ্ফোরনে ৪জন দগ্ধ হন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক সার্জন চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার গতকাল শুক্রবার সকালে তাদের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, বিস্ফোরণে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ এবং শরীফ ও রিয়াজের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার সকালে বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক রনি মিয়া মারা যান। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত ২ টায় শ্যালক রিয়াজ ও গত বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৪ টায় স্ত্রী রোজিনা ও ভোর ৪ টায় স্বামী শরীফের মৃত্যু হয়।























