সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নুনেরটেক এলাকায় পাওনা টাকা দিতে না পারায় আহম্মদ আলী নামের এক পক্ষাঘাতগ্রস্থ বৃদ্ধের কাছ থেকে জোড়পূবক পিস্তল ঠেঁকিয়ে ৭ বিঘা জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার নুনেরটেক এলাকার মোহাম্মদ হোসেন ও জিয়ানগর এলাকার মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে।
গত ২০ অক্টোবর এ জমি জোরপূর্বক কমিশনের মাধ্যমে লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠে। জমি লিখে নেওয়ার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ভয়ে ওই বৃদ্ধকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় ১০ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী করেছেন। যাহার নং ৫১৮।
জানা যায়, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নদী বেষ্টিত চরাঞ্চল নুনেরটেক গ্রামের আহম্মদ আলী ১০ বছর আগে পাশ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গা গ্রামের মোঃ হোসেনের কাছ থেকে জমির দলিল বন্ধক রেখে নির্দিষ্ট সুদের বিনিময়ে ৭০ হাজার টাকা ঋণ হিসেবে নেন।ওই সময়ে’ই হোসেন তার প্রভাবে খাটিয়ে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে ৩৬ শতাংশ জমি লিখে নেন। পক্ষাঘাতগ্রস্থ আহম্মদ আলীর সকল দলিল বন্ধক থাকার সুযোগে মোঃ হোসেন সকল জমির ৭টি দাগ উল্লেখ করে ৭ বিঘা জমির একটি দলিল তৈরি করে রাতের আধারে হোসেনের নেতৃত্বে পিরোজপুর ইউনিয়নের জিয়ানগর গ্রামের মোজাম্মেল মিয়াসহ ২০-২৫ জনের একটি দল তার বাড়িতে প্রবেশ করে পিস্তল ঠেঁকিয়ে কমিশন দলিলে স্বাক্ষর নেয়। জমি রক্ষার্থে ঘটনা প্রকাশ করলে ওই বৃদ্ধকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে ভূমি দস্যু হোসেন ও মোজাম্মেল। এঘটনায় সোনারগাঁ থানায় মঙ্গলবার দুপুরে জিবনের নিরাপত্তা চেয়ে ওই বৃদ্ধ সাধারণ ডায়েরীটি করেন।
পক্ষাঘাতগ্রস্থ আহম্মদ আলী জানান, ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই সময়েই আমার কাছ থেকে হোসেন ৩৬ শতাংশ জমি লিখে নিয়েছেন। বাকী দলিল পত্র তার কাছ থেকে চাইলে সে তালবাহানা শুরু করে। ১০ বছর পর আমার প্যারালাইসেস হওয়য়ার সুযোগে হঠাৎ করে ওই ৭০ হাজার টাকা দাবি করে রাতের বেলায় একটি দলিলে আমার কাছ থেকে জোড়পূর্বক স্বাক্ষর নেয়। পরে জানতে পারি আমার পুরো ৭ বিঘা জমি লিখে নিয়েছে।
অভিযুক্ত মোঃ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়টি মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
সোনারগাঁ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। এ ঘটনায় জিডি গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
























