নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বৈদ্যেরবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গননায় কারচুপির অভিযোগ তুলে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন করেছেন।রোববার বিকেলে স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদে প্রার্থী মো. অহিদুল্লাহ সরকার ও মো. হামিদুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বৈদ্যেরবাজার ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা মোশারফ হোসেন, রিপন মিয়া, মো. আসাদ সরকার, মো. দ্বীন ইসলাম দিলু, নুরুল ইসলামসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
লিখিত বক্তব্যে তাদের অভিযোগে বলেন, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডে মো. অহিদুল্লাহ সরকার, মো. হামিদুল ইসলাম ও মাসুম মিয়া তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। বৈদ্যেরবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ওয়ার্ডে কেন্দ্র ছিল। এ কেন্দ্রে সোনারগাঁ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আসাবুর রহমান। প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন। মাসুম মিয়ার বোন জামাই আলাউদ্দিন একই অফিসে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত। তাদের দুজনের মধ্যে অনৈতিক লেনদেন ও যোগসাজকে তাদের নির্বাচনী ফলাফল পরিবর্তন করা হয়।
লিখিত অভিযোগ তারা আরো জানান, প্রিজাইডিং অফিসার ও প্রার্থী মাসুম মিয়ার কয়েকজন আত্মীয় স্বজন মিলে নির্বাচনের আগে কয়েক দফায় বৈঠক করেছেন। এছাড়াও নির্বাচনের দিন সকাল ১১ টার দিকে প্রার্থীর এজেন্টদের কাছ থেকে ধমক দিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে নেন প্রিজাইডিং অফিসার ডা. মো. আসাবুর রহমান। নির্বাচনের পরদিন নির্বাচনের ভোট পুন: গননার আবেদন করা হলে রিটানিং অফিসার মো. ইউসুফ-উর রহমান আমাদের ধমক দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন।
প্রিজাইডিং অফিসার ডা. মো. আসাবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নির্বাচনে কারচুপির কোন সুযোগ নেই। অভিযোগ সত্য নয়।
বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রিটানিং অফিসার মো. ইউসুফ-উর রহমান বলেন, প্রিজাইডিং অফিসারের প্রদত্ত ফলাফল বিধি মোতাবেক ঘোষিত হয়েছে। এ ফলাফল আইন ও বিধির আলোকে ভোট পুন: গননার কোন সুযোগ নেই।
























