মনিরুজ্জামান মনির,যশোর সদর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
এলজিইডি জানেয়না কথায় কিভাবে ব্রিজ সরানো হয়েছে। এক’শ ফুট ব্রিজ সরিয়ে দেওয়ার কারণে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হতে পারে ৩০বিঘারও বেশি সবজি।
যশোর সদর উপজেলা লেবুতলা ইউনিয়নের সাড়ে ৬ কিলোমিটার রাস্তার ম্যাকাডামের কাজ শেষ হয়েছে এবং পানি বের হওয়ার জন্য ক্যানেলের কাজ শুরু । কিন্তু ‘বীর নারায়নপুর’ গ্রামের চাতালের সামনে একটি পরিবারের সুবিধার্থে নির্দিষ্ট স্থান থেকে ব্রিজ সরিয়ে অন্য স্থানে নেওয়া হয়েছে। আর যার কারণে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হতে পারে একটি মাঠের সবজি এবং কয়েকটি বাড়িও জলাবদ্ধতায় আটকা পড়তে পারে।
গত মঙ্গলবার সকালে ব্রিজের জায়গা পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয় লোকেরা বাধা প্রদান করে এবং বিভিন্নভাবে কথা কাটাকাটি হয় দুই পক্ষের মাঝে।একপ্রকার মাঠি খোচা বন্ধ হলেও। মইন মুঠোফোনে কথা বলে একই গ্রামের আলতাফের সাথে এবং কথা বলার পরে ফের আবার মাটি খোচার কথা বলে।ব্রিজটি সরানো হয়েছে শুধুমাত্র আ: জব্বারের চাতালের পানি বের করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু বিগত সময়ে যে স্থান দিয়ে পানি বের হতো সেই স্থানেই ব্রিজ করার অনুমতি থাকলেও শুধু একজনের সুবিধার্থে সরানো হচ্ছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে।
একই গ্রামের মুজিবুর রহমান জানান,ওই জায়গায় ব্রিজ হওয়ার কথা ছিল কিন্তু এখানে করতেছে। এখানে হলেতো মাঠের পানি বের হবে না। স্থানীয় ইখলাস জানান, যেখানে ছিল সেখানে থাকলেই ভাল হতো। কিন্তু নিজেদের ইচ্ছামত সরানো কি দরকার? এখানে আরো একটি ব্রিজ ছিল সেটা কাইটে আলতাফ মাস্টারের ওই জায়গায় নিয়ে গেছে।
একই গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, এখানে ব্রিজ হওয়া কোন যুক্তি আসে না। এই মাঠের পানি এবং বাড়ির পানি যেখানে ব্রিজ হচ্ছে সেখান দিয়ে বের হবে না। জুব্বারের এই মাঠে কোনো চাষের জমি নেই। কাজেই ভোগান্তিতে পড়তে হবে আমাদের। আব্দুল জব্বার জানান,আমি নিচে দিয়ে দোকান করবো। অতএব ওই পাশটায় ব্রিজ দিবো না।
এ কথার প্রতিউত্তরে ওই গ্রামের ইসমাইল সার্ভেয়ার জানান, রাস্তা ছাড়া নিচেই এখনো ১৬ ফুট সরকারি রাস্তা রয়েছে। সরকারি রাস্তার জমি দিয়েই তো পানি বের হবে। আলি হাসান জানান, শুধু মাত্র জব্বারের সরে যাচ্ছিল। এখন সবাই মিলে বলে কয়ে আবার নিয়াসতি হবেনে। নায়তো পানিতে ডুবে যাবানে।
রাস্তার কাজের ম্যানেজার মেজবাহুল মিন্টু জানান, এই ব্রিজ নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে। আগে যেখানে হচ্ছিল সেখানে হলেই মাঠের পানি ভালোভাবে বের হতো। আর এখন যেখানে হচ্ছে শুধু চাতালের পানি বের হবে। বিষয়টা আমরা দেখছি।
উপজেলা প্রকৌশলী নজমুল হুদা জানান, ইউড্রেনের কাজ করার আগে স্কেচ করা হয় । পরে আমরা দাক দিয়ে আসি এবং সেখান থেকে ২/৫ ফুট সরালে আমাকে ইনফরমেশন করা লাগবে। ইউড্রেন সরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি তো এবিষয়ে জানিইনা।আমি ইউটিউব বুঝে নিবো সে যদি অন্য জায়গায় করে থাকে তার বিল পাবেনা । তিনি বলেন আজকে সরকারি ছুটির দিন রোববারে দেখেই ব্যবস্থা নিবো। ওই রাস্তার ঠিকাদার সাঈদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
লেবুতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলিমুজ্জামান মিলন জানান, আমিও শুনেছি ব্রিজ আগের জায়গায়ই হলে ঘোষপাড়া এবং মাঠের পানি বের হতো। আর এখন যেখানে হচ্ছে সেটা পারিবারিক কেন্দ্রিকের মতো হচ্ছে। ওই গ্রামের বিভিন্ন লোক বিষয়টা আমাকে বলেছে । দেখি আমি দেখছি ।
স্থানীয়ও অধিকাংশ লোকদের দাবি মাঠের পানি আগে যেখান দিয়ে বের হতো ব্রীজটা সেখানেই হোক ।
























