আরিফ হোসাইন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ জেলা বাংলাদেশের একটি উঁচু জেলা বলে পরিচিত। বাংলাদেশের মধ্য ঝিনাইদহ জেলার অনেকে সুনাম রয়েছে কৃষি খাতে, ভূমিকা রাখার জন্য। এই জেলায় প্রচুর পরিমানে পান,কলা ও ধান চাষ হয়। এই জেলায় অধিকাংশ কৃষি জমিতে প্রায় তিন সিজন চাষ হয়,প্রচুর পরিমানে ফসল উৎপাদন হয়।সেই কারণেই দেশের কৃষি ক্ষাতে ঝিনাইদহ জেলার অনেক সুনাম রয়েছে।সেই কৃষি জমি গুলো ঝুঁকি সম্মুখীন হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে শত শত বিঘার ফসলি জমি। সরকারের নিয়ম তোয়াক্কা না করেই, প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে মাটি বেচাকেনা।
ফসলি জমির মাটি বিক্রয় করে পুকুর ক্ষরণ করছে,জমি লেবেল করার কথা বলে,মাটি গভীর করে খুঁজে বিভিন্ন ইটভাটায় মাটি বিক্রয় হচ্ছে। একজনের স্বার্থের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শত শত কৃষকের স্বপ্ন। ঝিনাইদহ জেলায় এমন ঘটনা প্রায় সব ইউনিয়নেই হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৭নং মহারাজপুর ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া গ্রামের মাঠের মাঝে অবৈধ ভাবে ভূমিদস্যুরা ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছিল।
এলাকার জনগনের খবর পেয়ে সাংবাদিকরা কুলবাড়িয়া মাঠে যায়।
সেখানে গিয়ে দেখতে পায় যে একই মাঠে , ৫ টা ভেকু চলছে তাদেরকে কাছে জানতে চাইলে তারা জানায় আমাদের কাছে মাটি কাটার কোন অনুমতি নেই। আর অনুমতি নিয়ার কি দরকার এই ভাবে তো সবাই মাটি কাটছে, তখন অনেক বার ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা নায়েব ফখরুল ইসলামকে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেনি, তারপর সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা জনাব শারমিন আক্তার কে ফোন করলে, তিনি তাৎক্ষণিক ফোন রিসিভ করে, নায়ব সাহেব কে ফোন করে জানান, এর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য । কিন্তু নায়েব ফখরুল ইসলাম, আসার আগেই কিভাবে যেন সব ভূমিদস্যুরা মাটি কাটা ভেকু সহ সকল গাড়ি মাঠ থেকে সরিয়ে নেন। এলাকার লোকজন জানায় নায়েব ফখরুল ইসলামের সাথে মাটি ব্যবসায়ীদের সক্ষতা আছে। তিনি যখন আসলেন তখন সকল মাটি ব্যবসায়িকরা গাড়ি নিয়ে শরিয়ে ফেলেছে কিন্তু মাঠের মাঝে ভেকু গাড়ি ছিল, তিনি কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। নায়েব ফখরুল ইসলাম কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান যে আমি বেশি দিন এখানে আসিনি, তাই সব জায়গায় চিনি না। আমার কাছে কোন তথ্য আসলে আমি সাথে সাথে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
ওছাড়া নায়েব ফখরুল ইসলামের নামে আরও অনেক অভিযোগ উঠেছে।
মহারাজপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের কৃষক মোঃ আব্দুল হালিম জানান,আমার একটা জমি দেখিলা কাটার জন্য নায়েব ফখরুল ইসলাম কাছে যায়, তিনি ৮ শতক জমিতে ৩ হাজার টাকা নেয় বলে অভিযোগ করে কিন্তু সরকারি কোষাগারের ২৫৪৮ টাকা জমা দেয়, বাকি টাকা ফেরত চাইলে বলে টাকা জমা দিয়ে দিয়েছি, আর টাকা ফেরত হবে না। আব্দুল হালিম আরও জানান যে আমার জমির পাশের জমি ১.৫ শতকে মাত্র ৭৫ টাকা নেয় দাখিলা কাটার জন্য, সেই হিসাবে আমার ৮ শতক জমিতে যা টাকা হবে সেই টাকা নিতে হবে, কিন্তু আমার কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ করে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
























