সোনারগাঁ(নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু নিজেকে সংবাদ সম্মেলন করে নির্দোষ দাবি করেছেন। তার বিরুদ্ধে কুচক্রী মহল একজন প্রবাসীকে লেলিয়ে দিয়ে আদালতে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন ও তার স্ত্রী বিরোধপূর্ণ জমির দাবিদার বিউটি আক্তারসহ তার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম নান্নু বলেন, তার রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা একটি কুচক্রী মহল তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য গত ২৮ জানুয়ারি পিরোজপুর গ্রামের মো. সামছুল হকের ছেলে মো: শরিফ হোসেন বাদি হয়ে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে তার নামে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। যাহা সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্যেশ্য প্রণোদিত। এতে তার ও দলের ভাবমূর্তি খুন্ন হয়েছে। তার চাঁদা দাবির অভিযোগ কখনোই সত্য নয়।
তিনি আরো বলেন, উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চরমেনিখালিস্ত হালে হাবিবপুর মৌজায় এস.এ- ৯ ও ১১ নং এবং আর.এস- ১১৮ ও ৬নং খতিয়ানে এস.এ-৯৭,৯৮,৯৯ ও ১০০ আর.এস- ৭৯ ও ৮০ দাগে ৮ শতাংশ ভূমি আমার সহধর্মিণী মোসা: বিউটি আক্তার গং হাবিবপুর পৈত্রিক এবং ক্রয় সূত্রে মালিক ও দখলদার হন। এ জমিতে বিরোধ হওয়ার আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
গত ২৪ জানুয়ারি উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে পঞ্চায়েত বৈঠক হয়। বৈঠকের ফয়সালা না মেনে কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় মো শরিফ হোসেন তার বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে চাচ্ছেন। এ মামলায় বা জায়গায় আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
মামলার বাদি মো. শরীফ মিয়া বলেন, আমার কাছে নান্নু চাঁদা চাওয়ার কারণেই আদালতে মামলা করেছি। আমি প্রবাসী। কখনোই একজনের বিরুদ্ধে মামলা করে এমনেতেই ঝামেলায় জড়াবো না। ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছি। তবে কোন রাজনৈতিক সংগঠনের বিরুদ্ধে নয়।
























