রাকিব হোসেন, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
করোনার প্রভাবে সংকটময় সময়ে জয়পুরহাটের বেসরকারি এনজিওর কর্মকর্তা খোরশেদ আলম নিজের বেতনের জমানো টাকা থেকে কর্মহীন দিনমজুর ও হতদরিদ্রদের সরকারের ঘোষিত ‘বাড়িতে থাকার শুভেচ্ছা উপহার’ লেখা খাদ্য সামগ্রী চাল, ডাল, আলু, তেল ও সাবান বাড়িতে বাড়িতে নিয়মিতভাবে বিতরণ করছিলেন। তার এই মহত উদ্যেগ দেখে তার সহকর্মীরা তার সাহায্যে এগিয়ে আসেন। তাদের কয়েক জনের সহযোগীতায় নিয়মিত তার সাধ্য অনুযায়ী প্রতিদিন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১০টায় শহরের জানিয়ার বাগান, বৈরাগীর মোড়, চিত্রাপাড়া, বঙ্গবন্ধু রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়িতে ১শ পরিবারের মাঝে এসব বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাকস ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম, এসো উপ নির্বাহী পরিচালক আতাউর রহমান, জাকস ফাউন্ডেশনের সিনিয়র হিসাব কর্মকর্তা পলিন হোসেন ও হিসাব কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র মহন্তসহ অন্যন্যারা।
করোনা ভাইরাসের সংকট সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে তাদের স্বামর্থ অনুযায়ী প্রতিদিন দরিদ্রদের মাঝে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে আসছেন।
উলেখ্য যে, খোরশেদ আলম দীর্ঘদিন থেকেই জয়পুরহাটের বেসরকারি এনজিওতে চাকুরি করলেও তার আক্কেলপুর, রুকিন্দিপুর নিজ এলাকাসহ শহরের তিনি সমাজের বিভিন্ন রকম সমাজ সেবা মূলক কাজে নিজেকে নিয়জিত রাখেন। তিনি মানবতার কাজের স্বীকৃতি স্বরপ ভারতের হায়দ্রাবাদে গত ২০২০ সালে জানুয়ারি মাসে হিউমিনিটি কমিশন থেকে আন্তর্জাতিক মানবতা ও শান্তি পুরষ্কার পেয়েছেন। এছাড়াও তিনি গরীভ দুখীদের মাঝে বিনামূলে ঔষধ বিতরণ হেলর্থ ক্যাম্প শিক্ষা সহায়তা তিনি নিজেকে সমাজের বিছিয়ে পড়া জনগষ্ঠির জন্য সব সময় কাজ করে থাকেন।
এব্যাপারে খোরশেদ আলম বলেন, আমরা বেসরকারি এনজিওতে চাকুরি করি আমাদের নিজের চাকুরি, বেতন-ভাতা, ভবিসৎ অনিশ্চিত ও স্থবির হয়ে পরেছে। তারপরও আসপাশের এলাকার মানুষের দুঃখ দূর্শা দেখে আমি নিজেই স্বল্প পরিসরে এসব করে আসছিলাম । আমার এসব কাজ দেখে আমার কর্মস্থল সহকর্মী পাশাপাশি অন্য সংস্থার সহকর্মীরা সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এতে আমি খুব খুশি। আমার একার সংঙ্গে আরও সহকর্মীদের সহযোগীতায় এখন আরও বেশি করে অসহায় দরিদ্র পরিবারকে সরকারের ঘোষিত বাড়িতে থাকার নিদের্শ দেওয়া পর তারা মানবেতর জীবন-যাপনকারীদের আমরা ‘বাড়িতে থাকার শুভেচ্ছা উপহার’ হিসাবে চাল, ডাল, আলু, তেল ও সাবান বাড়ি বাড়ি উপস্থিত হয়ে দিতে পারছি। তিনি আরও বলেন যতদিন করোনার দূর্যোগের প্রদুর্ভাব থাকবে ততদিন সাধ্যমত এ সহায়তার কাজ অব্যাহত রাখবো।
























