নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের জামপুর ইউনিয়নের কাজিপাড়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ব্যবসায়ীসহ ৫ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। বুধবার( ২ মার্চ) সকালে ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা করে তাদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। এসময় তাদের বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।
আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে নাজমুল নামের এক ব্যবসায়ীর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আহত শাহ আলমের ভাগিনা আজিজুল ইসলাম বাদি হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের কাজিপাড়া গ্রামের আব্দুল বাতেনের সঙ্গে একই গ্রামের মো. আলী হোসেনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার সকাল ৮ টার দিকে আলী হোসেনের নেতৃত্বে শফিকুল, আবদুল আজিজ, তালহাসহ ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র চাকু , ছোড়া, রামদা, হকিস্টিক লাঠিসোটা নিয়ে শাহ আলমের বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় দরজা, জানালা ও ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করতে থাকে হামলাকারীরা। তাদের বাঁধা দিলে আব্দুল বাতেন, আবু সিদ্দিক, জুলহাস, শাহ আলম ও নাজমুলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। এক পর্যায়ে তারা প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
তাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে ব্যবসায়ী নাজমুলের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে চিকিৎসক নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠান।
আহত শাহ আলম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রানমশ বিরোধী আমাদের পরিবারকে আলী হোসেন ও তার লোকজন জিম্মি করে রেখেছে। বুধবার পরিকল্পিতভাবে বাড়ি এসে ভাংচুর ও লুটপাট করে। এক পর্যায়ে আমাদের হত্যার উদ্দেশ্য হামলা করে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে।
অভিযুক্ত আলী হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জমি নিয়ে ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় আমাদেরও লোক আহত হয়েছে।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক তদন্ত মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। তালতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ আবু সাইদ পিয়ালকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
























