সরকারের কাছে জিকে শামীমের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।আজ বুধবার রাতে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তার স্ত্রী ।
তিনি বলেন ,যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বহিষ্কৃত নেতা, জিকে বিল্ডার্সের মালিক, সরকারি প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীম জীবনে একবার দেশের বাহিরে যান। জিকে শামীম অসুস্থতার কারণে গতবছর ২০১৯ সালে পরিবার নিয়ে (বউ, ছেলে ও দুই মেয়ে) সিঙ্গাপুর একটি হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি ৮ দিন ছিলেন। সেখানকার ডাক্তার কয়েক সপ্তাহ পর আবার তাকে সিঙ্গাপুরে পুনরায় ট্রিটমেন্টের জন্য যেতে বলেন, সেজন্য তিনি কিছু ডলার আগে থেকেই বাসায় রেখে দেন।আর ডলারের পরিমাণ ও খুব বেশি ছিলো না। অথচ তার নামে মানি লন্ডারিং মামলা দেয়া হয়।
জিকে শামীমের স্ত্রী আরোও বলেন, যেলোক জীবনে একবার দেশের বাহিরে যায় তাও আবার পরিবার নিয়ে সে কিভাবে দেশের বাহিরে টাকা পাচার করবে। আর যে লোক দেশের বাহিরে টাকা পাচার করবে, অন্য দেশকে সেকেন্ড হোম করবে সে তো একবার নয়, মাসে অনন্ত একবার দেশের বাহিরে যাবে। আর শামীম জীবনে একবার মাত্র দেশের বাহিরে গেছে তাও তার সন্তানরা সাথে ছিলো।তাছাড়া ডাক্তারী সব কাগজপত্র তো আছে তাই না??? আর তার যদি টাকা পাচার করতে হয় তাহলে ২০১৯ সালে সে জীবনের প্রথম বিদেশ যাবে কেন, গেলে তো অনেক আগেই যেতে পারতো, তাই না??? শীমম বাংলাদেশের একজন বড় ঠিকাদার সেটাই কি তার অপরাধ???আর আপনি তার নির্মানাধিন কাজগুলো দেখবেন না। সে সরকারের কাজ নিয়ে ঠিকমতো করেছে কিনা সেটা দেখবেন না???তাছাড়া তিনি প্রতিবছর সরকারের ইনকাম টেক্স দিয়ে থাকেন। তার নির্মানাধিন যেসব প্রকল্প রয়েছে এখন পর্যন্ত কোন কাজের কোন খারাপ কমপ্লেইন নাই। আর তার কাজগুলোর বেশির ভাগ কাজ তো প্রধানমন্ত্রী নিজেই উদ্বোধন করতেন। তাহলে কেন তাকে এই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হবে??? তাই আমি সরকার কে বলবো ছেলে মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে, তার প্রতিষ্ঠানের ১০০০ শ্রমিক কাজ করে।আর এই ১০০০ শ্রমিকের পরিবার ও তাদের কর্মসংস্থানের দিকে তাকিয়ে সরকারের বাকি কাজগুলো যেন সুন্দর ভাবে শেষ করতে পারে সে জন্য শামীম কে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হোক।
























