সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ
অর্থ সম্পদ বা যে কোন মূল্যবান কিছু হারিয়ে গেলে আপ্রাণ চেষ্টায় হয়তোবা ফিরে পাওয়া যায়। কিন্তু মানুষ হারিয়ে গেলে কোন কিছুর বিনিময় সে মানুষটিকে ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। আর সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলো যদি হয় কোন বৃদ্ধ পিতা বা মাতার শেষ বয়সের অবলম্বন তার সন্তান অথবা কোন অবুঝ শিশুর পিতা বা মাতা, তাহলে এর চেয়ে নিষ্ঠুর বাস্তবতা আর কিছুই হতে পারে না।
তেমনই এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা ঘটে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের সুখেরটেক এলাকার প্রায় ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা রওশন বানুর পরিবারের। স্বামী আব্দুল মালেক গত হয়েছেন আগেই।
এখন সন্তান হত্যার শোকে মর্মাহত মা রওশন বানু সাংবাদিকদের জানান, বিভিন্ন শত্রুতার জেরে ২০১৫ সালে ছেলে রুহুল জামিলকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ছেলে হত্যার শোক বুকে নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবীতে সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন দরজায় ঘুরছেন। মামলা চলমান রাখতে গিয়ে পেরেশান পুরো পরিবার। আজ অব্দি মূল আসামিদের সাঁঝা দেয়া দূরের কথা খুঁজে বের করাও সম্ভব হয়নি। মা সহ অবুঝ দুই নাবালক কন্যা সন্তানের বুক খালি করে রুহুল জামিল পরকালের বাসিন্দা হলেও মূল হত্যাকারীরা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।
অতঃপর রবিবার সকাল ১১ টার দিকে সুখেরটেক এলাকায় প্রতিবাদ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে মূল আসামিদের খুঁজে বের করে আইনি প্রক্রিয়ায় দৃষ্টান্তমূলক দ্রুত শাস্তির দাবী করেন মৃত রহুল জামিলের মা রওশন বানু, স্ত্রী, কন্যাসহ পুরো পরিবার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসার মোন্তাজ উদ্দিন মর্তুজা। উল্লেখ্য অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর করা ২০১৫ সালের একটি দরখাস্ত পাঠ করে শোনান মৃত রুহুল জামিলের ভাই সেনা সদস্য মোহাম্মদ রুহুল ইসলাম।
























