মনিরুজ্জামান মনিরঃ
কোরবানির ঈদ বিশদিন অতিক্রম করলেও সবজির দাম এখনো বাড়েনি । তাহলে কি এখনো কোরবানির মাংস খাচ্ছে মানুষ এমনই অভিযোগ করেন আজিমপুর গ্রামের একজন কৃষক।
বাজারে কোন সবজির তেমন বেশি দাম নেই। ক্ষেত থেকে সবজি তুলে বাজারে বিক্রি করার পর যানবাহন খরচও হচ্ছে না কৃষকের। এ কারণে অনেকে আবার ধরন্ত করলার গাছ কেটে দিচ্ছে।
এপরিস্থিতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে যশোর জেলা বাঘারপাড়া উপজেলার “ভাটার হাটে” পাইকারি ভাবে বিভিন্ন সবজি বিক্রি হচ্ছে দেখা যায় । এখানে বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকেরা ক্ষেত থেকে সবজি তুলে নিজেরাই বিক্রি করে । এবাজারে সিজনওলি প্রায় সব ধরনের শাকসবজি পাওয়া যায়।
একজন সবজি বিক্রেতা আনিসুর রহমান জানান, বাজারে যদি মাল চাহিদা করে ব্যাপারীরা কেনে তাহলে দাম কম হলেও ভালো লাগে। কিন্তু কোনো চাহিদা নেই। এবছর নাবিতে ১২ কাটা উচ্ছে লাগায়ে খুব বিপদে আছি। নতুন গাছের উচ্ছে দাম বলে চার’শ সাড়ে চার’শ টাকা মণ। গতবছরে এসময় ১২’শ/১৪’শ টাকা করে মন বিক্রি হতো। নাবিতে উচ্ছে ধরেও কম। যার কারণে এবছর খরচ উঠবে না। আরো একজন “করোলা” বিক্রেতা ইকলাস জানান, উচ্ছে বিক্রি করে ভ্যান ভাড়া দিয়ে শেষ। আজকে উচ্ছে বিক্রি করেছি সাড়ে ৩’শ টাকা মণ । যা তুলার দামও হয় না।

মূলা বিক্রেতা নজরুল জানান,গত বৎসরে আগাম মূলা ১২’শ থেকে ১৪’শ টাকা মণ বিক্রি হতো । এবছর সেই মূলা ৪’শ / সাড়ে চার’শ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।আরেকজন লালশাক বিক্রেতা আ: সালাম জানান , লালশাকের মুঠো দুই টাকা করে বলতেছে ব্যাপারি। কিন্তু এক মুঠো লালশাক মারতে এক টাকা খরচ হয়। আর ভ্যান ভাড়া তো বাদ থাকলো।
সবজি ব্যবসায়ী রুবেল জানান, মাল কিনে ঢাকায় নিতে কেয়ারিং খরচ হচ্ছে বর্তমানে ১কেজিতে ৮ থেকে ৯ টাকা। আবার তেমন কোনো চাহিদা নেই।
সবজি ব্যবসায়ী আরিফ জানান, ফরিদপুরে মাল নিলেই বিক্রি হয়ে যেতো। বর্তমানে মাল বিক্রি হচ্ছে খুবই কম। কয়েকদিন লোচেও বিক্রি করেছি। যার কারণে আজ আমরা সবজি কিনেছি কম।
























