নিজস্ব প্রতিবেদক:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব নিয়ে সরকারি রাস্তা কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে । শুক্রবার রাতে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের মামরকপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাস্তা কেটে নেওয়ার ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় শাহিনুর বেগম নামের এক নারী সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায়, উপজেলার মামরকপুর এলাকায় হাবিবুর রহমানের বাড়িতে চলাচলের জন্য সোনারগাঁও উপজেলার ইউএনও, উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিন সরকার অনুমতি নিয়ে ব্যক্তিগত টাকায় রাস্তা নির্মাণ করেন। এ রাস্তা দিয়ে ওই এলাকার মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করে থাকেন।
গত শুক্রবার রাতে মামরকপুর গ্রামের আলী আকবর ও সানাউল্লাহর নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি দল কোদাল দিয়ে রাস্তা কেটে দেয়। রাস্তা কাটার দৃশ্য দেখে স্থানীয় লিয়াকত আলী নামের এক ব্যক্তি বাধা দিলে তারা চলে যায়। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
হাবিবুর রহমানের বোন শাহিনুর বেগম বলেন, তার বাড়ির সকলেই প্রবাসী। আলী আকবর ও সানাউল্লাহর সঙ্গে তাদের পারিবারিক দ্বন্দ্ব। এ দ্বন্দ্বের জের ধরে এ আগেও তাদের পুরাতন বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। পরবর্তীতে এখানে বাড়ি করার সময়ও কয়েক দফায় বাড়ির কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তারা আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা না দেওয়ার কারনে তারা আমাদের বাড়িতে চলাচলের রাস্তা লোকজন নিয়ে কেটে ফেলে।
আবদুল মালেক নামের এক গ্রাম্য প্রধান বলেন, এ বাড়ি করতে গিয়ে সানাউল্লাহ চেয়ারম্যান আল আমিন সরকারের নাম করে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। চেয়ারম্যানকে ফোন দেওয়া হলে তিনি অস্বীকার করে সানাউল্লাহকে বেঁধে রাখতে বলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা লিয়াকত আলী বলেন, রাতে তারাবি নামাজ শেষে গোডাউনের সামনে দাড়িয়ে মোবাইলে কথা বলার এক পর্যায়ে ১০-১৫ জনকে রাস্তা কাটতে দেখি। এর মধ্যে আলী আকবর ও সানাউল্লাহকে চিনতে পেরে তাদের ডেকে নিয়ে বাঁধা দেই।
অভিযুক্ত সানাউল্লাহর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমি জড়িয় না। আমার সাথে তাদের পারিবারিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। এ দ্বন্দের কারনে আমি থানায় জিডি করেছি। এজন্য আমার বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক তদন্ত মো আহসান উল্লাহ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
























