মনিরুজ্জামান মনির, যশোর সদর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
যশোর সদর উপজেলায় ৩২’শ হেক্টর জমিতে এবছর বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন শাক-সবজি চাষ হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য ভাবে চাষ হচ্ছে বাঁধাকপি, ফুলকপি, সিম, মুলা, ওলকপি, বেগুন, গাজর এবং শসা ইত্যাদি । কৃষি তথ্য মতে শুধু বাঁধাকপি চাষ হচ্ছে ১৭’শ হেক্টর জমিতে । আরো রয়েছে মুলা ৪’শ সাত হেক্টর, ফুলকপি ২’শ ৫০ হেক্টর, সিম ৩’শ ৬০ হেক্টর এবং এর সাথে আরো বিভিন্ন ধরনের সবজিও রয়েছে।
দেখা যায় নঙ্গলপুর এবং কোদালিয়া গ্রামের মেইন রোডের দুই পাশে সবুজ পাতার বাঁধাকপিতে ছেয়ে আছে মাঠ । আবার বীর নারায়ানপুর ও লেবুতলা গ্রামে রয়েছে মাঠ ভরা ফুলকপি । এদিকে সাতমাইল বাজারে মেইন রোডের দুই পাশে রয়েছে সিম ও মুলা। সদর উপজেলায় বর্তমানে লেবুতলা, ইছালি এবং হৈবতপুর ইউনিয়নে বেশি পরিমাণ সবজি চাষ হচ্ছে ।
এসমস্ত এলাকার কৃষকরা শীতকালীন সবজিতে কেউবা নিরানোর কাজে, কপির গোড়া বাধার কাজে, পোকা দমনে বিভিন্ন কিটনাশক ছিটানোর কাজে, সার ছিটানোর কাজে এবং পরিচর্যায় ব্যস্ত আছে ।
সাবাসপুর গ্রামের কৃষক রেজাউল ইসলাম জানান , ৭ বিঘা মুলা রয়েছে, এই মুলা উঠানোর পরে বাঁধাকপির চাষ করবো। এখন বৃষ্টি হলেও তেমন কোন সমস্যা নেই কারণ আমরা ছত্রাকনাশক ব্যবহার করা শিখেছি। কখন স্প্রে করতে হবে সেটা আমাদের জানা।
বীরনারায়নপুর গ্রামের ফুলকপি চাষি আরিফুজ্জামান জানান, এবছর তেমন কোনো বৃষ্টি নেই। যার কারণে সেচের পরিমাণ বেশী লেগেছে। যদি একটু বৃষ্টি হতো তাহলে কপির গাছ সতেজ হতো। কৃষক আসির উদ্দিন জানান, ১ বিঘা মত ফুলকপি চাষ করেছি । যা শিতের ভিতরে উঠবে। দাম থাকলে পারবো কারন এবছর সব জিনিসের দাম খুব বেশি।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশেক মাহমুদ পলাশ জানান, কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের জন্য যেটা আসে। আমরা সাথে সাথে তাদের মাঝে বিতরণ করি। কৃষকরা কোন সমস্যায় পড়লে আমরা সেটা সমাধান করার চেষ্টা করি।
উপজেলা কৃষি অফিসার শেখ সাজ্জাদ হোসেন জানান, এখন যে আবহাওয়া আছে তাতে তেমন কোনোপ্রভাব পড়বে না সবজিতে । যদি ভারী বৃষ্টিপাত হয় তাহলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে এমন কোনো সমস্যায় কৃষকেরা পড়ে আমরা তাৎক্ষণিক সমাধান করার চেষ্টা করবো।
























