রায়হান সিদ্দিকী, বেনাপোল প্রতিনিধি:
শনিবার বিকালে যশোর র্যাব-০৬ ককটেল গুলো উদ্ধার করে, এ সময় কাউকে আটক করতে পারেনি তারা। বেনাপোল স্থলবন্দরের শ্রমিকরা ঘরটি ব্যাবহার করতেন। ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় আবারও এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
র্যাব-৬ যশোর কোম্পানির অধিনায়ক মেজর সাকিব হোসেন জানান, গোপন সংবাদে জানতে পারি বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘরে বিপুল পরিমান ককটেল মজুত রাখা হয়েছে। শনিবার বিকেলে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি টিম নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে মাটির নীচে পুতে রাখা ১৮টি তাজা ককটেল উদ্ধার করতে সক্ষম হই। ককটেল গুলো বেনাপোল পোর্ট থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জনাব কামাল হোসেন ভূইয়া ককটেল উদ্ধারের ঘরটি পরিদর্শন করে বলেন, র্যাব কর্তৃক উদ্ধারকৃত ককটেল থানায় জমা দিয়েছে। সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে। কে বা কারা কি উদ্দেশে ককটেলগুেেলা রেখেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৪ জুলাই বেনাপোল পোর্ট থানার বিপরীতে গাজীপুর গ্রামের একটি দুই তলা ভবনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এতে ভবনটির নিচতলায় বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সে মুহূর্তে ঘরটিতে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বন্দর ব্যাবহারকারী শ্রমিকদের কাছে ভাড়া দিয়েছিল ভবনটির নিচতলা। এ ঘটনার রহস্য উদঘটন করতে পারেনি পুলিশ।
তার আগে ৮ জুন ভোরে বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া এলাকায় মোড়ে অবস্থিত নিউ আলিফ ট্রান্সপোর্ট অফিসে ককটেল বিস্ফোরিত হয়ে অফিসে আগুণ ধরে যায়। লিটন হোসেন নামে এক ব্যক্তি ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা করার জন্য দোকানটি ভাড়া নিয়েছিলেন। এ ঘটনায় লিটনের বসত ভিটা তল্লাশী করে ককটেল ও হাতবোমা পায় এবং ট্রান্সপোর্ট মালিক লিটন হোসেনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। এসব ঘটনায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে এলাকার লোকজন।
























